বাংলাদেশ

গ্রেফতার ৫

রাজধানীতে চকবাজার এলাকায় নামি দামী পন্যের উৎপাদন । গ্রেফতার ৫

বিদেশের নামকরা কোম্পানির নামে নকল প্রসাধন সামগ্রী উৎপাদন ও বাজারজাত করার দায়ে মঙ্গলবার রাজধানীর চকবাজারে পাঁচজনকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নকল প্রসাধন তৈরির কারখানার মালিক সাইফুদ্দিন চৌধুরী, তাঁর কর্মী আবদুল আলীম ওরফে নকির, মো. আরমান, শেখ সাইদুল ইসলাম ও খায়ের হোসেন।  র‍্যাব সূত্র জানায়, মঙ্গলবা দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত চকবাজারের মৌলভীবাজারের তাজমহল টাওয়ারের তাকওয়া এন্টারপ্রাইজ নামের একটি নকল প্রসাধন তৈরির কারখানায় অভিযান চালান। এ সময় আদালত দেখতে পান সেখানে বিদেশের নামকরা কোম্পানির নামে শিশুদের নকল শ্যাম্পু, লোশন, পাউডার, প্রাপ্ত বয়স্কদের ব্যবহারের ক্রিমসহ ৩২ ধরনের প্রসাধন তৈরি করা হচ্ছে। পরে এসব প্রসাধন সামগ্রীর গায়ে জনসন ও ইউনিলিভার কোম্পানির মোড়ক লাগানো হচ্ছে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেন। ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা নকল প্রসাধন সামগ্রীক আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকা। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে স্বীকার করেন, তাঁরা মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে চীন থেকে খালি বোতল এনে নিজেদের অনুমোদনহীন কারখানায় তৈরি নকল প্রসাধনী ওই সব বোতলে রিফিল করেন। পরে তাতে স্টিকার লাগিয়ে তাঁরা বাজারজাত করেন। এর দায়ে পাঁচজনকে পাঁচ লাখ করে মোট ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছর করে জেল দেন আদালত। পরে আদালত কাছের সোয়ারীঘাটের চম্পটুলি এলাকায় আরেকটি নকল প্রসাধন কারখানায় অভিযান চালান। অভিযানের টের পেয়ে নকল কারখানার মালিক বাশার পালিয়ে যান।

এ সময় নকল প্রসাধন তৈরি ও বাজারজাত করার দায়ের কারখানার মালিক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে চকবাজারের থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়। রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত চলা ওই অভিযানে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম প্রথম আলোকে বলেন, জরিমানার টকা দিতে না পারায় সাইফুদ্দিন ও তাঁর চার কর্মীকে দুই বছর সাজা দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

মন্তব্য

আপনার ইমেইল প্রচার করা হবে না.

All Replys